

আমজনতা দলের সদস্য সচিবের দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী এই আসনের ‘সবচেয়ে গরিব’ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তাকে।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ৫৯ হাজার ১৪৩ টাকা। পেশায় ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিলেও তার বার্ষিক আয় মাত্র সাড়ে ৪ লাখ টাকা।
হলফনামার উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলো হচ্ছে : তার হাতে কোনো নগদ টাকা নেই। ডাচ-বাংলা ব্যাংকে তার নামে জমা আছে মাত্র ৮ হাজার ৮৫৫ টাকা। তার নিজের বা স্ত্রীর নামে এক ভরি স্বর্ণও নেই। শেয়ারবাজারে কোনো বিনিয়োগ নেই, নেই কোনো বিমা পলিসিও। এছাড়া তার নামে কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য বা আসবাবপত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি।
হলফনামায় দেখা গেছে, তারেক রহমানের নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রেও তিনি কোনো সম্পদের মালিক নন। রাজউকের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাটও নেই তার নামে।
তবে ইতিবাচক দিক হলো, এই প্রার্থীর কোনো ব্যাংক ঋণ বা অন্য কোনো দায় নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, তিনি গত বছর মাত্র ৫ হাজার টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন।
ঢাকা-১২ আসনটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল ও বিজয়নগর এলাকা নিয়ে গঠিত। রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সমস্যাজর্জরিত এই আসন থেকে এবার আমজনতার হয়ে লড়াই করতে চান তারেক।
মন্তব্য করুন