স্টাফ রিপোর্টার
৯ মে ২০১৯, ৫:১১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি বন্ধ হলে মাংসের দাম আরও কমানো যাবে : সাঈদ খোকন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, গাবতলী পশু হাটের চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে গরুর মাংসের দাম আরও কিছুটা কমানো যাবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে গত সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি এবং মাংস ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়।

বৈঠকে ১ম রমজান থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় মাংসের যে দাম নির্ধারণ করা হয় সে অনুযায়ী দেশি গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫২৫ টাকা এবং বিদেশি বা বোল্ডার গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫০০ টাকা ও মহিষের মাংস কেজি প্রতি ৪৮০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খাসির মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা এবং ভেড়া ও ছাগীর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা ধরে বিক্রির জন্য এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও কিছু কিছু জায়গা ছাড়া বেশির ভাগ জায়গায় নির্ধারিত মাংসের মূল্যে রাখা হচ্ছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

এদিকে রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, গাবতলী পশু হাটের চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে গরুর মাংসের দাম আরও কিছুটা কমানো যাবে। গাবতলীতে চাঁদাবাজির বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণের আওতামুক্ত ২১টি কাঁচাবাজারে ডিজিটাল মূল্যতালিকা বোর্ড স্থাপন করা হবে যাতে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ঘুরে মূল্য তালিকা হালনাগাদ করার পরিবর্তে নগর ভবনে বসেই এটা করা যায়।

মেয়র সাঈদ খোকন, বলেন আমাদের জনবলের সীমাবদ্ধতা থাকায় সীমিত জনবল দিয়ে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। খাদ্যে ভেজাল দিলে শুধু জরিমানা নয় এর সাথে কারাদণ্ড প্রদানের জন্যও মনিটরিং কমিটিকে বলা হয়েছে।

এ সময় মেয়রের সঙ্গে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পরে মেয়র মাংসের দোকানি, ক্রেতা সাধারণের সাথেও দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য নিয়ে কথা বলেন।

এর আগে গত সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে মাংস ব্যবসায়ীদের বৈঠকে মাংস ব্যাবসায়ীরা মেয়রের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বলেছিলেন, গরুর মাংসের দাম বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হল গাবতলীর হাটের কতিপয় চাঁদাবাজদের উৎপাত। তাদের কারণে প্রতি গরু প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকাও খাজনা দিতে হয়। তাই তাদেরকে যদি নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলে মাংসের দাম অনেক কমে যাবে। এতে জনগণ উপকৃত হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ, হাসিনার ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

‘অবৈধ যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প, বেরিয়ে আসার পথ পাচ্ছেন না’

দেশে স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল

পেশা নিয়ে অপপ্রচার, আওয়ামী কর্মীদের উদ্দেশ্যে যে বার্তা দিলেন তাসনিম জারা

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ লাশ উদ্ধার, বেশিরভাগ নারী-শিশু

ব্রাজিলে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৪

মানবসেবার জন্য রোটারির সম্মানজনক পদক পেলেন ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন

হরমুজ খোলার আশায় বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

মোদি এখন দুর্বল, এবার বড় আন্দোলনের সতর্কবার্তা দিলেন সোনাম ওয়াংচুক

১০

অস্ত্র নিয়ে তথ্য ফাঁসকারীদের খুঁজছেন ট্রাম্প

১১

দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ

১২

যুদ্ধবিরতির উদ্যোগের মধ্যেও গাজায় ইসরাইলি হামলা, নিহত ৮

১৩

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ইসির সাংবিধানিক এখতিয়ার: সালাহউদ্দিন আহমদ

১৪

‘জুলাইয়ের লেন্স’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে গণঅভ্যুত্থানের ভয়াবহতা

১৫

জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার

১৬

দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

১৭

ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১৮

ইয়ামাল ইতিহাস গড়বে, তবে এবার নয়: মেসি

১৯

দাবানলের ধোঁয়ায় ঢেকেছে নিউজার্সির আকাশ, বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে উদ্বেগ

২০